x

Watchnewsbd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Watchnewsbd

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

ফিচার

[islamsr] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]
এইমাত্র পাওয়া
সংবাদ লোড হচ্ছে...
সর্বশেষ:
লোড হচ্ছে...

বায়ার্নের কাছে আবারও হারল বার্সেলোনা

প্রকাশঃ
0 জন এই প্রতিবেদনটি পড়েছেন
এই তো গেল মৌসুমেই উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচেই বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ৩-০ গোলের ব্যবধানে হেরেছিল বার্সেলোনা। এরপর সেই বায়ার্ন থেকে তাদের সেরা খেলোয়াড় রবার্ট লেভান্ডোফস্কিকে উড়িয়ে আনে বার্সার। কাড়ি কাড়ি অর্থ খরচ করে জাভি হার্নান্দেজ গড়ে তোলে নতুন এক বার্সেলোনা। তবে ফলাফলে আসেনি কোনো পরিবর্তন।
২০২২/২৩ মৌসুমে আবারও চ্যাম্পিয়নস লিগের একই গ্রুপে বায়ার্ন ও বার্সা। এবার অ্যালিয়েঞ্জ অ্যারেনায় দুই দলের প্রথম দেখায় বার্সেলোনাকে ২-০ গোলের ব্যবধানে হারাল বাভারিয়ানরা। বায়ার্নের হয়ে ম্যাচের ৫০তম মিনিটে লুকাস হার্নান্দেজ প্রথম গোলটি করেন। এর মাত্র মিনিট চারেক পরে লেরয় সানে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করে। এরপর আর কোনো গোল না হওয়ায় বায়ার্ন ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। শেষবার ২০১৫ সালের মে মাসে বার্সেলোনার কাছে হেরেছিল বায়ার্ন মিউনিখ।,


উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে সেবার ন্যু ক্যাম্পে ৩-০ গোলের ব্যবধানে কাতালান ক্লাবের কাছে হেরেছিল বায়ার্ন। যদিও ফিরতি লেগে বার্সাকে ৩-২ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছিল বাভারিয়ানরা। ওই মৌসুমের পর বার্সার বিপক্ষে এই নিয়ে মোট চারটি ম্যাচ খেললো বায়ার্ন যার মধ্যে সবকটিতেই জয় বাভারিয়ানদের। আর এই চার ম্যাচে বার্সার জালে বায়ার্নের গোলের সংখ্যা দাঁড়াল ১৬টি। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ 'সি'র ম্যাচে বায়ার্নের আতিথ্য নেয় বার্সেলোনা।,


ম্যাচ শুরুর আগে সদ্যই বায়ার্ন ছেড়ে বার্সায় যোগ দেওয়া স্ট্রাইকার রবার্ট লেভান্ডোফস্কিকে অভ্যর্থনা জানায় বাভারিয়ান সমর্থকরা। ৯ মিনিটের মাথায় লেভান্ডোফস্কির কেড়ে নেওয়া বল পান রাফিনহা, তার কাছ থেকে গাভি আর শেষমেষ গিয়ে পড়ে পেদ্রির কাছে। পেদ্রি বল পেয়ে বায়ার্ন ডিফেন্ডার বেঞ্জামিন পাভার্ডকে কাটিয়ে শট নেন আর ম্যাচের শুরুর এই সময়েই তার শট রুখে দেন ম্যানুয়েল নয়্যার। পেদ্রির শট রুখে দেওয়ার এক মিনিট পর গাভির ক্রস দূর পোস্টে দাঁড়িয়ে মাথা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন লেভান্ডোফস্কি।,


আর এতেই ১০ মিনিটের মধ্যে এগিয়ে যাওয়া হয়নি বার্সার। মিনিট চারেক পরে বড্ড ভুল করে বসেন নয়্যার। ঠিক যে ব্যাপারটি নিয়ে কদিন ধরে থমাস মুলারের সঙ্গে রসিকতা করছিলেন সাদিও মানে সেটিই করে বসলেন নয়্যার। দীর্ঘদিনের সতীর্থ লেভান্ডোফস্কিকে ভুলে যেন পাস না দিয়ে দেয় সে ব্যাপারে মুলারকে সতর্ক করেছিলেন সাদিও মানে। তবে তিনি হয়ত ভুলে গিয়েছিলেন নয়্যারও দীর্ঘ সময় ধরেই খেলেছেন লেভার সঙ্গে আর সেই সতীর্থ এখন যে শত্রুপক্ষে যোগ দিয়েছেন তা বোধহয় ভুলে বসেছিলেন। তাই তো ম্যাচের ১৪তম মিনিটে ডি বক্সের সামনে থাকা লেভান্ডোফস্কির সামনেই বল পাস করেন নয়্যার। তবে সে যাত্রায় ডিফেন্ডার উপমেকানোর দারুণ ট্যাকেলে সুবিধা করে উঠতে পারেনি লেভা তাই তো রক্ষা মেলে বায়ার্নের।,



ম্যাচের প্রথমার্ধে বার্সেলোনা দুর্দান্ত আক্রমণে বায়ার্নের রক্ষণকে বেশ ব্যস্ত রাখে। অন্যদিকে বায়ার্ন মধ্যমাঠেই নিজেদের খেলা সীমাবদ্ধ রাখে। থেকে থেকে যদিও বেশ কয়েকটি আক্রমণ বাভারিয়ানরা করেছিল কিন্তু তা কাজে লাগেনি। প্রথমার্ধ শেষের মিনিট পাঁচেক আগে আলফোন্সো ডেভিসের দুর্দান্ত এক ক্রস সাদিও মানে এবং থমাস মুলারের ভুল বোঝাবুঝিতে জাল খুঁজে পায়নি। এতেই প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্যতে। তবে খেলার মোড় ঘুরে যায় ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই। দ্বিতীয়ার্ধের পাঁচ মিনিট যেতে না যেতেই বায়ার্ন জালের দেখা পেয়ে যায়। ম্যাচের ৫০তম মিনিটে জশুয়া কিমিচের দুর্দান্ত এক কর্নার সামনের পোস্টে ভেসে আসে। আর সেখানেই লাফিয়ে উঠে হেড করে বল জালে জড়িয়ে বায়ার্নকে উল্লাসে ভাসান লুকাস হার্নান্দেজ।,



বায়ার্ন শিবিরে তখনও আনন্দ চলছিল আর বার্সা খুঁজে ফিরছিল নিজেদের। ঠিক সেই সময়েই লেরয় সানের গোলে বায়ার্ন লিড পেয়ে গেল ২-০ ব্যবধানের। ৫৪তম মিনিটের খেলা চলছিল তখন, জামাল মুসাইলা বল দিয়ে একাই গুঁড়িয়ে দেন বার্সার রক্ষণভাগকে। এরপর ডি বক্সের ভেতর দারুণ এক থ্রু পাসে খুঁজে নেন লেরয় সানেকে। দারুণ বল পেয়ে তা জালে জড়াতে ভুল করেননি সানে। ঘরের মাঠে বায়ার্ন লিড নেয় ২-০ গোলের। এরপর মুসাইলা, সানে, গোরেতজেকা মিলে দুর্দান্ত সব আক্রমণে চেপে ধরে বার্সাকে।,



এর মাঝে উল্টো ম্যাচের ৬৩তম মিনিটে গোল হজম করতে বসেছিল বায়ার্ন। তবে ম্যানুয়েল নয়্যারকে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি পেদ্রি। তার শট গোলপোস্টে বাইরে বেরিয়ে যায় আর এতেই ম্যাচে ফেরা হয়নি বার্সার। শেষ দিকে আর কোনো গোল না হওয়ায় ওই ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন মিউনিখ। এই জয়ে গ্রুপ 'সি'র শীর্ষস্থান আরও পোক্ত হলো বায়ার্নের। দুই ম্যাচে দুটি জয় বায়ার্নের। আর একটি করে জয় নিয়ে যথাক্রমে বার্সেলোনা ও ইন্টার মিলান আছে দুই ও তিনে। আর দুই ম্যাচের দুটিতেই হেরে চারে আছে ভিক্টোরিয়া প্ল্যাজেন।,



The post appeared first on Sarabangla. ://dlvr.it/SYGxgq

এই খবরের অডিও ভার্সন শুনতে নিচের প্লে বাটনে ক্লিক করুন

0:00 / 0:00 0%

একটি মন্তব্য করুন